দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সম্প্রতি একটি জাতীয় টেলিভিশনের অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসা হয়ে উঠেছে অধ্যক্ষের পারিবারিক সম্পত্তি শিরোনামের প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন আশুগঞ্জ চরচারতলা সিরাজুল ইসলাম ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন মোল্লা।
২৯ সেপ্টেম্বর এক প্রতিবাদলিপিতে তিনি এ প্রতিবাদ জানান। প্রতিবাদলিপিতে তিনি উল্লেখ করেন, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দেশ টিভির অনলাইন পোর্টালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ চরচারতলা সিরাজুল ইসলাম ফাজিল মাদ্রাসা নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এ বিষয়ে নিজের স্বপক্ষে ব্যাখ্যা দিয়ে তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন মোল্লা।
তিনি বলেন, অভিযোগকারী শফিকুর রহমানের সঙ্গে পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও মামলা-মোকদ্দমার জের ধরে তার চাকরি ও সনদ নিয়ে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
অধ্যক্ষ বলেন, নিয়ম মেনেই কাগজপত্র দিয়ে তিনি চাকরি পেয়েছেন। একটি পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ পাওয়ার বিষয়টি সত্য এবং ওই সার্টিফিকেট জমা দিয়েই তিনি চাকরি নিয়েছেন। অভিযোগকারী দ্বিতীয় বিভাগের সার্টিফিকেট বানিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে হয়রানি করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
মাদ্রাসার নামকরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একজন গুণী মানুষ হিসেবে এলাকার মানুষের চাওয়া অনুযায়ী তার বাবার নামে মাদ্রাসাটির নতুন নামকরণ করা হয়েছে। এর সঙ্গে গ্রামের নামও যুক্ত রয়েছে। মাদ্রাসার পাশে যে মাজার রয়েছে, সেটিও গ্রামের মানুষ করেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
অধিগ্রহণের টাকার বিষয়ে অধ্যক্ষ বলেন, এ নিয়ে যে কথা বলা হচ্ছে তা মিথ্যা। তার বাবা মাদ্রাসাকে পাঁচ শতক জমি দান করেছেন, যা মাদ্রাসার পাশেই রয়েছে। তাদের যে সম্পত্তি অধিগ্রহণ হয়েছে, সেই সম্পত্তির টাকা তারা নিয়েছেন বলে জানান তিনি।
নিজের মেয়ে, ভাতিজা ও বোন জামাইয়ের চাকরিও নিয়ম মেনেই হয়েছে বলে প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করেন অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন মোল্লা।
প্রতিবেদকের বক্তব্য: অভিযোগ, মামলা, তদন্ত প্রতিবেদন ও এলাকাবাসীর বক্তব্যের আলোকে প্রতিবেদনটি করা হয়েছে। প্রতিবাদলিপিতে অধ্যক্ষ যেসব বিষয় উল্লেখ করেছেন, সেগুলো প্রতিবেদনেই তার বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এমএস/